এক নজরে পশ্চিমবঙ্গের নতুন মুখ্যমন্ত্রীর গুরুত্বপূর্ণ সিদ্ধান্ত, কথামতো কাজ পরিবর্তন, প্রতিশ্রুতি ও প্রাথমিক সিদ্ধান্ত
৯ মে ২০২৬-এ পশ্চিমবঙ্গের মুখ্যমন্ত্রী হিসেবে শপথ নেওয়ার পর বিজেপি-নেতৃত্বাধীন সরকারের সূচনা হয়। দীর্ঘদিন পর রাজ্যে ক্ষমতার পালাবদল প্রশাসনিক ও রাজনৈতিক ক্ষেত্রে তাৎপর্যপূর্ণ বার্তা দেয়। “ডবল ইঞ্জিন সরকার”-এর অঙ্গীকারে দ্রুত সিদ্ধান্ত ও কাঠামোগত বদলের ইঙ্গিত মিলেছে প্রথম সপ্তাহেই।
১) প্রশাসনিক সংস্কার ও দুর্নীতি বিরোধী পদক্ষেপ :
সরকার শিক্ষা, স্বাস্থ্য ও নিয়োগ-সংক্রান্ত দপ্তরে স্বচ্ছতা জোরদার করার উদ্যোগ নেয়। কয়েকটি পুরোনো মামলার পুনরায় তদন্ত ও প্রক্রিয়া-পর্যালোচনার নির্দেশ দেওয়া হয়েছে বলে জানা যায়। লক্ষ্য—কেলেঙ্কারি-মুক্ত প্রশাসন ও দায়বদ্ধতা বৃদ্ধি।
২) ‘জনতা দরবার’ ও সরাসরি যোগাযোগ:
কলকাতার সল্ট লেকে প্রথম ‘জনতা দরবার’-এ নাগরিকেরা সরাসরি অভিযোগ ও প্রস্তাব পেশ করেন। নিয়মিত পাবলিক হিয়ারিং চালুর ঘোষণা প্রশাসনকে আরও জবাবদিহিমূলক করার ইঙ্গিত দেয়।
৩) আইন-শৃঙ্খলা ও নিরাপত্তা:
সরকার আইন-শৃঙ্খলায় “শূন্য সহনশীলতা” নীতি জোরদার করেছে। সাম্প্রতিক উত্তেজনা ও সহিংসতার ঘটনায় গ্রেফতার ও তদন্তের অগ্রগতি জানানো হয়েছে। প্রশাসনিক কাঠামোতেও কিছু পরিবর্তনের সিদ্ধান্ত নেওয়া হয়েছে।
৪) সীমান্ত ও নাগরিক নীতি:
বাংলাদেশ সীমান্তে নিরাপত্তা জোরদার করতে কেন্দ্রীয় বাহিনীর সঙ্গে সমন্বয় ও অবকাঠামোগত সহায়তার কথা বলা হয়েছে। ভোটার তালিকা ও নাগরিক নথি যাচাই প্রক্রিয়া আইনানুগভাবে এগোবে—এমন বার্তাও এসেছে।
৫) অর্থনীতি ও জনকল্যাণ:
৭ম পে কমিশন বাস্তবায়নের ঘোষণা সরকারি কর্মচারীদের জন্য গুরুত্বপূর্ণ। পাশাপাশি নারী-কেন্দ্রিক সহায়তা ও সামাজিক সমতা-ভিত্তিক স্কিমের রূপরেখা দেওয়া হয়েছে।
উপসংহার:
প্রথম সপ্তাহে নেওয়া সিদ্ধান্তগুলো প্রশাসনিক গতি, নিরাপত্তা ও জনসংযোগে নতুন সুর তৈরি করেছে। বাস্তবায়ন ও ফলাফলই নির্ধারণ করবে এই পরিবর্তন কতটা স্থায়ী ও কার্যকর হবে।.
কলমে পূর্ণেন্দু ভৌমিক